ফুল ফুটে টবে ঝুলে থাকে ১

জানব কি করে কেমন করে করতে হয় কবির ঘর, আগে কখনও কবির সাথে করি নাই তো বাসর।

জানালার ভিতর অপেক্ষা কর অপেক্ষা কর, একশো বছর পর থাকবে কাঠামো থাকবে ঘর শুন্যের উপর; দেখছোনা সৌরতাপে পুড়ছে পৃথিবীটা, পুড়ছে জ্ঞানগন্ঞ্জ; পরমোৎসহিষ্ণুতা, পুড়ছে সময় ও সুশৃঙ্খলতা! লোকে অসমতা, মানুষ আমরা; হাতিয়ার মানবতা; আর আছে আদব কায়দা, শারীরিক নৈপুণ্যতা

হোক না গাজর উত্থিত সবজি ক্ষেতে সুশৃঙ্খল, কাটুক না সময় আরো আদি থেকে অন্ত, দাঁড়ায়ে আছে সূর্য – মূর্খ এক জানালার ঐপারে যদিও, দিগন্ত বিস্তৃত শীতল মাঠে; একশো বছর পর থাকবে নক্ষত্র; থাকবে কাঠামো

ঘুমন্ত পাখিরা উঠবে জেগে, জানবেনা সময়-অসময়; গ্রহে গ্রহে থাকবে না বিগ্রহ;

কোলাহলে ভেসে আসে আপিস মুখী পাখিদের গুঞ্জন।

পুড়ুক হৃদয় আজ ধূমকেতুর আগুনে; না হোক হৃদয় ভাজি নিরামিষ দিনে, যাও ত্বরা করে কাজে;  ক্ষয়রোগ জাগে স্থূল নিয়মে, মাটি পুড়ে মাটিতে। এভাবেই ফুল ফুটে টবে ঝুলে থাকে;

যাও ত্বরা করে কাজে; পোড়া মাটির টবে লাল গাদা ফুল ফুটে কিছু ঝরে পরে; সুবর্তুল বুক দিও না ছড়িয়ে উত্তপ্ত সিনায়, যাও ত্বরা করে কাজে; চন্দ্রাহত মানুষ যায় আস্তাকুড়ে মজে! জানবে প্রতিনিয়ত

পৃথিবী অনেক বড়; সৌরজগৎ আরো। পৃথিবী অনেক বড়; সৌরজগৎ আরো। মাপতে চাওনা? দেখতে চাওনা তুমি দশ দিগন্ত? 

যে ঝড়ে ডুবে যাবে নদী ক্ষেত মাঠ চর, সে ঝড়ে ডুবেছি আমি; চাইনা আমি দেখতে দিগন্ত দশ, চাইনা মাপতে সৌর জগৎ। নিভাতে পারে না এরা আগুনের ঝড়; নিভাতে পারে না এ আগুনের ঝড়- কোনো গণিত কিংবা দর্শন। সূর্যবিদ্যা বহিরাগত; কেন অসময়ে যাচ্ছ ফুরায়ে সময় চঞ্চল প্রভাতে;

সূর্যবিদ্যা বহিরাগত। এগুলোর নাক টেনে এনোনা ঘরে। যেমন করে আমি টানি তোমারে! পুড়ুক পাপ, পুড়ুক ক্ষয়, আগুনের উল্কা কুমারীর ঋদয়, ত্বরা করে আস এই ঝড়ে, যেও না বাইরে, যায় যারা কাজে, যাক তারা চুলায়, তাদের মতো তুমি যেও না আস্তাকুড়ে। আসো এই ঝড়ে, এই ঘরে, পুনর্বার প্রহর সঙ্গমে, অনর্থক মেঘ টেনে টেনে টেনে এনো না ঘরে। যেমন করে আমি টানি তোমারে। 

আমি তো নই কিউপিড কিংবা মায়া কুমারী, পোড়া মাটির বাটি হাতে সু প্রভাতে, ভিক্ষা করে ফেরে কে লোকান্তরে, কুমড়া ফুলের বড়া ফুটে কড়াইয়ে, সলতে কালো হাতে অভিসার পুড়ে, সময় অসময় জ্ঞান চলেনা বাসরে, পোড়া মাটির বাটি হাতে অন্তহীনে, ভিক্ষা করে ফেরে কে লোকান্তরে, এগুলো বাইরের বিষয় চাইনা দেখতে।

এইরকম দিনে আপতিত হয় চেরি ফুল নরম মাটিতে, আমেরিকান সিকামোর দুপুরে অন্তঃপুরে;, ওদের নাক টেনে এনোনা ঘরে। যেমন করে আমি টানি তোমারে। সময় যাচ্ছে ফুরিয়ে দেখে পুড়ছে হৃদয় ধূমকেতুর আগুনে; এইরকম দিনে আপতিত হয় মেপল এর পাতা উঠানে উঠানে মাটির পরে, ওদের নাক টেনে এনোনা ঘরে। যেমন করে আমি টানি তোমারে।

প্রশংসা করা যাবে। কিন্তু পাওয়া যাবে না তাকে। ২০০০ থেকে ২০২০ পর্যন্ত লেখা কবিতার বাছাইকৃত সংকলন  “ফুল ফুটে টবে ঝুলে থাকে”।